যেভাবে ভাল থাকা যায় -- এক
পৃথিবীতে ভাল থাকতে সবাই চায়,।বলতে গেলে জন্ম থেকেই, ছোট্ট শিশুরা থেকে সবারই চাওয়া, "ভাল থাকা"। তাহলে একবার চিন্তা করি,কিভাবে ভাল থাকা যায়------,
ভাল থাকা অনেক বিষয়ের সাথে উপলব্ধি করতে হয়। প্রতিনিয়ত আপনি কোন কোন বিষয়ের সাথে যুক্ত তার উপর নির্ভর করবে আপনার ভাল থাকা।সারাদিন আপনি কি করছেন,প্রতিটি কাজ আপনার মাঝে কি অনুভূতির সৃষ্টি করছে,তার মধ্যে একটু হলেও সুখানুভূতি অনুভব করছেন কি না,কোন কাজ যদি আপনার মাঝে কোনো ভাললাগা অনুভূতি সৃষ্টি করতে না পারে,সেই কাজ আপনার ভাল লাগবে না,।ধরুন, সকালবেলা আপনার দরজায় কেউ কড়া নাড়ল, দরজা খুলে দেখলেন ভিক্ষুক দাড়িয়ে, আপনার কাছে সাহায্য চায়,হয়তো তখনও আপনার ঘুমোই ভাংগেনি,তবু্ও আপনি তাকে কিছু টাকা পয়সা দিয়ে বিদায় করে দিলেন,।আপনার অনুভূতি কি?,-আপনার ভালো লাগতে পারে,আবার নাও পারে,।
সকাল থেকে শুরু করে সকল কাজ, আপনি করেন বা করছেন,তার অধিকাংশই আপনাকে সূখানুভূতি প্রদান করবে,হয়তো কিছু কাজ আপনার ভাল নাও লাগতে পারে,অনেকে মনে করেন,হাতে প্রচুর অর্থ, টাকা পয়সা থাকলে ভাল থাকা য়ায়,সুখানুভূতি সৃষটি করা যায়,টাকা পয়সা দিয়ে আপনি যা খুশি করতে পারেন, কিন্তু ভাল লাগা অনুভূতি সৃষ্টি করা কঠিন।
চিকিৎসা বিগ্ঞানের ভাষায়,সুখানুভূতি মানুষের মস্তিষ্কের কাজ কর্মের ওপর নির্ভর করে,কোন কাজ যদি কারো ভাল লেগে যায়,তখন মস্তিষ্কেে এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ বা হরমন নিসৃতঃ হয়,ফলে সুখানুভূতি সৃষ্টি হয়।এই ভাল লাগার কাজটি যদি আবার,বার বার করা হয়,তখন হরমন নিরসন বেড়ে যায়,এমন কি মস্তিষ্ক তাকে ঐ কাজ করার জন্য বার বার তাগিদ দেয়,আর কাজটি তখন অভ্যাসে পরিনত হয়।
মনে প্রশান্তি এনে দেয়, এমন কাজ গুলো মানুষকে ভাল থাকতে সাহায্য করে, মনের প্রশান্তি আনতে পারে সুস্বাস্থ্য,শুধু শারিরীকভাবে সুস্থ্য থাকলেই সুস্বাস্থ্য বলা যায় না,প্রয়োজন মানসিক সুস্থতা।শারিরীক ও মানসিক সুস্থতার জন্য যে কাজ করা প্রয়োজ, তাই করুন, ভাল থাকবেন,।
সুস্থ্য থাকুন,ভাল থাকুন,নিরাপদ থাকুন,।ধন্যবাদ।।
ad

0 Comments: